1. admin@ultimatenewsbd.com : adminsr : Admin Admin
  2. afridhasan.ahb@gmail.com : Shah Imon : Shah Imon
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
আওয়ামী লীগ বর্গীর রূপ নিয়েছে: মির্জা ফখরুল অন্যান্য দেশের মতো আমাদেরও রিজার্ভ ব্যবহার করে চলতে হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী বিএনপিকে এখন ছাড় দিচ্ছি, ডিসেম্বরে দেব না: সেতুমন্ত্রী পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে, দুর্ভিক্ষ হবে না: খাদ্যমন্ত্রী দেশের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা চালানো ব্যক্তিদের ব্যাপারে কাজ করছে পুলিশ-ইন্টারপোল: আইজিপি ঋণ না পেলে রসাতলে যাবো, বিষয়টি তেমন নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী ক্রান্তিকালের সুযোগ নিয়ে বিরোধী দলগুলো অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী সম্ভাবনা জাগিয়েও হারল বাংলাদেশ বিএনপির লড়াই দেশবাসীর জন্য: মির্জা ফখরুল বিএনপি বিভাগীয় সমাবেশের নামে চাঁদাবাজির একটা বড় প্রকল্প নিয়েছে: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আইনি কাঠামোয় ফিট হলে ভোটে দাঁড়াতে পারবেন খালেদা জিয়া: প্রধান নির্বাচন কমিশনার ১১ নভেম্বরের পর যুবলীগের দখলে থাকবে দেশ: পরশ খালেদাকে কারাগারে পাঠানোর চিন্তা-ভাবনা নেই: আইনমন্ত্রী পরিকল্পনা করে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো যাবে না: পরিকল্পনা মন্ত্রী সরকার চাইলে তিস্তা প্রকল্পে সহায়তা করবে চীন: চীনের রাষ্ট্রদূত গাইবান্ধার বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে আরো এক সপ্তাহ লাগবে: সিইসি

স্বাস্থ্যবিধি ও বিধিনিষেধ মেনেই চলবে বাণিজ্য মেলা: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৮৯

করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি ও বিধিনিষেধ মেনে চলবে বাণিজ্য মেলা। এই মুহূর্তে মেলা বন্ধ করার মতো কোনও পরিস্থিতির উদ্ভব হয়নি। এবারের মেলা বসেছে নিজস্ব স্থানে। আগে থেকেই স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নিরাপদ দূরত্ব রেখেই স্টল সাজানো হয়েছে। মেলায় আগত ক্রেতা-বিক্রেতাদের স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরার জন্য যথেষ্ট স্পেস রেখেই মেলা প্রাঙ্গণ প্রস্তুত হয়েছে। তাই আপাতত ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা চলতে কোনও বাধা নেই। করোনা ভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ মোকাবিলায় আরোপিত বিধিনিষেধের কঠোর বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে বাণিজ্য মেলার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

আগামী বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) থেকে কার্যকর হচ্ছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের  ঘোষিত কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধকল্পে স্বাস্থ্যবিধির ১১ দফা নির্দেশনা। এই বিধি আরোপের ফলে চলমান আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ভবিষ্যৎ কী, জানতে চাইলে মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রফতানি) হাফিজুর রহমান এসব তথ্য জানান।

হাফিজুর রহমান বলেন, শুরু থেকেই এবারের মেলা আয়োজন করা হয়েছে করোনাকে বিবেচনায় নিয়ে। যাতে কোনোভাবেই করোনার বিস্তার না ঘটে, সেজন্য আমরা শুরুতেই সতর্ক ছিলাম বলে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে মেলার আয়োজন করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বিধিনিষেধের আলোকে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, বাণিজ্য মেলার কার্যক্রম পরিচালনায় আপাতত কোনও সমস্যা নেই। প্রজ্ঞাপনের আলোকে বিধিমালা যেভাবে ফলো করা দরকার, সেভাবেই হবে। মার্কেট-শপিং মলও তো চলছে। এটাও (মেলার ভেন্যু) খোলা জায়গায় না। তবে ক্রেতা-বিক্রেতারা যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে, সেদিকে কঠোর নজরদারি থাকবে।’

২৬তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার আয়োজক সংস্থা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) জানিয়েছে, কেন্দ্রের ভেতরে সব মিলে ৩০৯টি সুপরিসর স্টল তৈরি করা হয়েছে। এবারের মেলায় থাকছে দেশি-বিদেশি ২২৫টি স্টল। মেলা উপলক্ষে বরাদ্দ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের স্টল আকর্ষণীয় ও নান্দনিক করে গড়ে তুলতে নানাভাবে সাজিয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনার কারণে এবারের মেলার প্রেক্ষাপট কিছুটা ভিন্ন। ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে সব চেষ্টাই অব্যাহত থাকবে শেষ দিন পর্যন্ত।

ইপিবি কর্মকর্তারা জানান, মেলা কেন্দ্রের লে-আউটে কিছুটা সংশোধন করা হয়েছে। এ কারণেই কেন্দ্রের ভেতরে-বাইরে মিলে আপাতত ২২৫টি স্টল করা হয়েছে—ভেতরে ১৫৪টি ও বাইরে ৭১টি স্টল রয়েছে। যদিও ধারণ ক্ষমতা আরও বেশি, তবে করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই পর্যাপ্ত জায়গা ফাঁকা রেখে স্টল করা হয়েছে। মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে কর্তৃপক্ষ ১৫৪টি স্টল বানিয়েছে। ২৪টি প্রিমিয়াম স্টল করা হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, নতুন স্থানে চলমান বাণিজ্য মেলায় আগতদের গাড়ি রাখার জন্য বৃহৎ পরিসরে পার্কিং সুবিধা রয়েছে।  মেলার শৃঙ্খলার স্বার্থে গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য কেন্দ্রের পাশেই রাজউকের পানির প্ল্যান্ট ভাড়া নেওয়া হয়েছে। সেখানে এক হাজার গাড়ি পার্কিং হবে। সেন্টারের দোতলায় পার্কিং বিল্ডিংয়ে মোট পার্কিং স্পেস সাত হাজার ৯১২ বর্গমিটার, সেখানে ৫০০টি গাড়ি রাখা যাবে। আর এক্সিবিশন বিল্ডিংয়ের সামনের খোলা জায়গায় আরও এক হাজার গাড়ি পার্কিং করার সুযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য, রাজধানীর পূর্বাচলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব স্থানে অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি) চলছে মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। চলতি ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি মাসব্যাপী এই মেলার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

করোনা ভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ মোকাবিলায় সরকার সোমবার (১০ জানুয়ারি) ১১ দফা নির্দেশনা দিয়ে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনসহ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ক্রমাগতভাবে বাড়তে থাকায় আগামী ১৩ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে সারা দেশে বিধিনিষেধ কার্যকর করবে সরকার।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক ঘোষিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে উন্মুক্ত স্থানে সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং সমাবেশ পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হবে। একই সঙ্গে দোকান, শপিং মল ও বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা এবং হোটেল-রেস্তোরাঁসহ সব জনসমাগম স্থলে বাধ্যতামূলক সবাইকে মাস্ক পরতে হবে, অন্যথায় আইনানুগ শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) যৌথ আয়োজনে নতুন জায়গায় বসেছে এবারের বাণিজ্য মেলা। মেলায় ১১টি প্রতিষ্ঠানের বিদেশি স্টল রয়েছে—যা ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ইরান, তুর্কিসহ আশপাশের দেশের।

বাণিজ্য মেলার আয়োজক সংস্থা ইপিবি জানিয়েছে, এই প্যাভিলিয়নের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, স্বাধিকার আন্দোলন ও স্বাধীনতা সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর অবদান, বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন দিক ছাড়াও যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে নেওয়ার প্রকৃত ইতিহাস সবার কাছে, বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মাঝে তুলে ধরারও প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়নের ভেতরে শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্মভিত্তিক বিভিন্ন আলোকচিত্র প্রদর্শন ছাড়াও তাঁর জীবন ও কর্মভিত্তিক ডকুমেন্টারি প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগর থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে এবারই প্রথমবারের মতো ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিএফটিএফ) অনুষ্ঠিত হচ্ছে পূর্বাচলের নবনির্মিত বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে। সেখানে যাতায়াতের জন্য কুড়িল ফ্লাইওভার থেকে বাণিজ্য মেলা পর্যন্ত মূল সড়ক (তিনশ’ ফুট) প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়কের চার লেনে যান চলাচলের জন্য  প্রস্তুত করা হয়েছে। চালু করা হয়েছে বিআরটিসির ডাবল ডেকার ৩০টি লাল রঙের বাস। সেগুলো কুড়িল ফ্লাইওভার থেকে মেলা প্রাঙ্গণ পর্যন্ত চলচল করছে।    

প্রসঙ্গত, ১৯৯৫ সাল থেকে ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অস্থায়ী জায়গায় ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। প্রায় প্রতিবছর জানুয়ারির ১ তারিখ দেশের সরকার প্রধান এ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর

© আল্টিমেট কমিউনিকেশন লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান
Theme Customized BY LatestNews