1. admin@ultimatenewsbd.com : adminsr : Admin Admin
  2. afridhasan.ahb@gmail.com : Shah Imon : Shah Imon
শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩, ০১:৫৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
নতুন বছর উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বাম ডান মিলেমিশে একাকার, ফলাফল শূন্য: কাদের পোপ বেনেডিক্ট আর নেই বিএনপি বিশৃঙ্খলার চেষ্টায় ছিল, আ. লীগের কারণে পারেনি: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আওয়ামী লীগ বর্গীর রূপ নিয়েছে: মির্জা ফখরুল অন্যান্য দেশের মতো আমাদেরও রিজার্ভ ব্যবহার করে চলতে হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী বিএনপিকে এখন ছাড় দিচ্ছি, ডিসেম্বরে দেব না: সেতুমন্ত্রী পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে, দুর্ভিক্ষ হবে না: খাদ্যমন্ত্রী দেশের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা চালানো ব্যক্তিদের ব্যাপারে কাজ করছে পুলিশ-ইন্টারপোল: আইজিপি ঋণ না পেলে রসাতলে যাবো, বিষয়টি তেমন নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী ক্রান্তিকালের সুযোগ নিয়ে বিরোধী দলগুলো অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী সম্ভাবনা জাগিয়েও হারল বাংলাদেশ বিএনপির লড়াই দেশবাসীর জন্য: মির্জা ফখরুল বিএনপি বিভাগীয় সমাবেশের নামে চাঁদাবাজির একটা বড় প্রকল্প নিয়েছে: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আইনি কাঠামোয় ফিট হলে ভোটে দাঁড়াতে পারবেন খালেদা জিয়া: প্রধান নির্বাচন কমিশনার বাণিজ্যমেলায় অংশ নিচ্ছে ১০ দেশের ১৭ প্রতিষ্ঠান: বাণিজ্যমন্ত্রী মিনিকেট জমিতে চাষ হয়, এটা বাস্তবতা: কৃষিমন্ত্রী থার্টি ফার্স্ট নাইটে গুলশানে প্রবেশে পুলিশের যেসব নির্দেশনা ১১ নভেম্বরের পর যুবলীগের দখলে থাকবে দেশ: পরশ খালেদাকে কারাগারে পাঠানোর চিন্তা-ভাবনা নেই: আইনমন্ত্রী

ভয়াল ২১ আগস্ট আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২০ আগস্ট, ২০২১
  • ১২৪

আজ (শনিবার) ২১ আগস্ট। দেশের ইতিহাসে নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞের ভয়াল দিন। বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকাকালে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলটির সমাবেশে বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলা হয়। সেদিন আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সহধর্মিণী আইভি রহমানসহ ২২ জন নেতা-কর্মী প্রাণ হারান। গ্রেনেডের স্প্লিন্টারের আঘাতে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকসহ আহত হন পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মী। আজও সে আঘাত নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন অনেকে।

রাজনীতি পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতে সংগঠনের সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাসহ দলের প্রথম সারির জাতীয় নেতাদের হত্যার উদ্দেশ্যে ওই ঘৃণ্য হামলা চালায় ঘাতকচক্র। শুধু গ্রেনেড হামলাই নয়, সেদিন শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার গাড়ি লক্ষ্য করেও চালানো হয় গুলি। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেও তিনি আহত হন, তাঁর শ্রবণশক্তি চিরদিনের মতো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আওয়ামী লীগের নেতারা মনে করেন, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা ছিল ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের কালরাতে বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতা; সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রক্ত ও আদর্শের উত্তরসূরি শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে জঙ্গি ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষক বিএনপি-জামায়াত অশুভ জোটের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান, একাত্তরের ঘাতক মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধী (মৃত্যুদণ্ডিত) মতিউর রহমান নিজামী, (মৃত্যুদণ্ডিত) আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, বিএনপি নেতা সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, জঙ্গি নেতা (মৃত্যুদণ্ডিত) মুফতি হান্নানসহ মুক্তিযুদ্ধবিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর নীলনকশায় সংঘটিত হয় নারকীয় এই হত্যাযজ্ঞ।

আওয়ামী লীগের নেতাদের বক্তব্য, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে এ সংক্রান্ত মামলার সঠিক তদন্ত হয়নি, ষড়যন্ত্রের হোতাদের রক্ষার উদ্দেশ্যে মামলাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে এবং আলামত ধ্বংস করার নানাবিধ ষড়যন্ত্র হয়েছে। এমনকি বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় গ্রেনেড হামলা মামলাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য ‘জজ মিয়া’ নাটক সাজানো হয়।

সময়ের পরিক্রমায় এ ঘটনা নিয়ে দুইটি মামলা চলমান থাকে। একটি হত্যা মামলা এবং অপরটি বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনের মামলা। দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০১৮ সালে আদালত ২১ আগস্ট দুই মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে জীবিত মোট ৪৯ আসামির মধ্যে ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১৯ জনের যাবজ্জীবন এবং বাকি ১১ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

মামলাটি এখন উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ড বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পালাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের রায় কার্যকর করতে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আওয়ামী লীগের নেতারা মনে করেন, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা ছিল ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের কালরাতে বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতা; সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রক্ত ও আদর্শের উত্তরসূরি শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে জঙ্গি ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষক বিএনপি-জামায়াত অশুভ জোটের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান, একাত্তরের ঘাতক মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধী (মৃত্যুদণ্ডিত) মতিউর রহমান নিজামী, (মৃত্যুদণ্ডিত) আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, বিএনপি নেতা সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, জঙ্গি নেতা (মৃত্যুদণ্ডিত) মুফতি হান্নানসহ মুক্তিযুদ্ধবিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর নীলনকশায় সংঘটিত হয় নারকীয় এই হত্যাযজ্ঞ।

আওয়ামী লীগের নেতাদের বক্তব্য, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে এ সংক্রান্ত মামলার সঠিক তদন্ত হয়নি, ষড়যন্ত্রের হোতাদের রক্ষার উদ্দেশ্যে মামলাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে এবং আলামত ধ্বংস করার নানাবিধ ষড়যন্ত্র হয়েছে। এমনকি বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় গ্রেনেড হামলা মামলাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য ‘জজ মিয়া’ নাটক সাজানো হয়।

সময়ের পরিক্রমায় এ ঘটনা নিয়ে দুইটি মামলা চলমান থাকে। একটি হত্যা মামলা এবং অপরটি বিস্ফোরক দ্রব্যাদি আইনের মামলা। দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০১৮ সালে আদালত ২১ আগস্ট দুই মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে জীবিত মোট ৪৯ আসামির মধ্যে ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১৯ জনের যাবজ্জীবন এবং বাকি ১১ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

মামলাটি এখন উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ড বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পালাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে এনে আদালতের রায় কার্যকর করতে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর

© আল্টিমেট কমিউনিকেশন লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান
Theme Customized BY LatestNews