1. admin@ultimatenewsbd.com : adminsr : Admin Admin
  2. afridhasan.ahb@gmail.com : Shah Imon : Shah Imon
মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:৩১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
আওয়ামী লীগ বর্গীর রূপ নিয়েছে: মির্জা ফখরুল অন্যান্য দেশের মতো আমাদেরও রিজার্ভ ব্যবহার করে চলতে হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী বিএনপিকে এখন ছাড় দিচ্ছি, ডিসেম্বরে দেব না: সেতুমন্ত্রী পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে, দুর্ভিক্ষ হবে না: খাদ্যমন্ত্রী দেশের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা চালানো ব্যক্তিদের ব্যাপারে কাজ করছে পুলিশ-ইন্টারপোল: আইজিপি ঋণ না পেলে রসাতলে যাবো, বিষয়টি তেমন নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী ক্রান্তিকালের সুযোগ নিয়ে বিরোধী দলগুলো অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী সম্ভাবনা জাগিয়েও হারল বাংলাদেশ বিএনপির লড়াই দেশবাসীর জন্য: মির্জা ফখরুল বিএনপি বিভাগীয় সমাবেশের নামে চাঁদাবাজির একটা বড় প্রকল্প নিয়েছে: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আইনি কাঠামোয় ফিট হলে ভোটে দাঁড়াতে পারবেন খালেদা জিয়া: প্রধান নির্বাচন কমিশনার ১১ নভেম্বরের পর যুবলীগের দখলে থাকবে দেশ: পরশ খালেদাকে কারাগারে পাঠানোর চিন্তা-ভাবনা নেই: আইনমন্ত্রী পরিকল্পনা করে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো যাবে না: পরিকল্পনা মন্ত্রী সরকার চাইলে তিস্তা প্রকল্পে সহায়তা করবে চীন: চীনের রাষ্ট্রদূত গাইবান্ধার বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে আরো এক সপ্তাহ লাগবে: সিইসি

বিজয় দিবসে আওয়ামী লীগের দুপক্ষের সংঘর্ষ, বাসে আগুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৬৫

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় বর্তমান ও সাবেক এমপির বিরোধের জেরে তাদের সমর্থকরা আবারও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) বিজয় দিবসে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাঁদের মধ্যে ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারি হয়। এতে ইটপাটকেলের আঘাতে দুপক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতরভাবে আহত হয়েছে তিনজন। পরে বেলা ১২টার দিকে পাকুন্দিয়া-মির্জাপুর সড়কে একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জানায়, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের (পাকুন্দিয়া-কটিয়াদী) এমপি নূর মোহাম্মদের সঙ্গে গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় থেকে সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট সোহরাব উদ্দিনের স্থানীয় রাজনীতি ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ রয়েছে। সম্প্রতি সোহরাব উদ্দিনকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি করা হয়। এ ঘটনায় দুপক্ষের বিরোধ আরও তীব্র হয়। এসব নিয়ে তাদের আগে বেশ কয়েকবার মারামারিও হয়েছে। এমপি পক্ষের লোকজন তাকে এলাকায় সাংগঠনিক কাজকর্মে নিয়মিত বাধা দিচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে তিনি (সোহরাব উদ্দিন) স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বিজয় দিবসে রীতিমতো প্রস্তুতি গ্রহণ করে কয়েক হাজার লোক নিয়ে সকালে উপজেলা সদরে ঢুকে পড়েন। 

খবর পেয়ে এমপি নূর মোহাম্মদের সমর্থকেরাও সংঘবদ্ধ হয়ে তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। এ অবস্থায় পুরো উপজেলা সদরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শুরু হয়ে যায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ। দুপক্ষের হাতে ছিল দেশীয় ধারালো অস্ত্রশস্ত্র। এই গোলযোগের মধ্যেই সোহরাব উদ্দিন উপজেলা পরিষদের ভেতরে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে এলাকা ত্যাগ করেন। 

এমপি নূর মোহাম্মদের সমর্থকদের অভিযোগ, হেলমেট পরা বাইরের সশস্ত্র লোকজন নিয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে পাকুন্দিয়া ঢোকেন সোহরাব উদ্দিন। তাদের অনেকের শরীরে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেটও ছিল। এ সময় তাদের হামলায় তিনজন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। 

তারা দাবি করেন, বল্লামের আঘাতে কুশাকান্দা গ্রামের মিন্টু, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে পাকুন্দিয়া সদরের মুক্তিযোদ্ধা মকসুদ আলী ও নূরুল ইসলাম গুরুতরভাবে আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে প্রথমজনকে চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, দু-পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হলেও সেখানে বড় ধরণের সংঘর্ষ হয়নি। এ কারণে পুলিশকেও তেমন একটা অ্যাকশনে যেতে হয়নি। এলাকায় বর্তমানে উত্তেজনা থানায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 

এদিকে, মারামারি পর এ দিকে ১২টার দিকে পাকুন্দিয়া-মির্জাপুর সড়কে একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনা স্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এর আগেই বাসটি পুড়ে যায়। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি।

এ বিষয়ে সাবেক এমপি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সোহরাব উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কলের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিজয় দিবসে শহীদদের শ্রদ্ধা জানানো সবারই অধিকার রয়েছে। আমি আমার লোকজন নিয়ে সেখানে ফুল দিতে গেলে এমপি নূর মোহম্মদের সমর্থকেরা আমাকে বাধা দেয় ও প্রতিরোধ তৈরি করার চেষ্টা করে। এ সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারি ঘটনা ঘটে। পরে এসব উপেক্ষা করে যথারীতি ফুল দিয়ে বাড়ি ফিরে যাই। মারামারি, উত্তেজনা ও ত্রাস সৃষ্টির দায় আমার না, এমপি ও তার সমর্থকদের।’ 

এমপি নূর মোহাম্মদের সমর্থকদের পক্ষ থেকে জেলা শ্রমিক লীগের উপদেষ্টা আতাউল্লাহ সিদ্দিক মাসুদ জানান, সাবেক এমপি সোহরাব ও তার লোকজন বন্দুক-পিস্তলসহ হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরে রীতিমতো সন্ত্রাসী স্টাইলে পাকুন্দিয়া যান। এ সময় তাদের হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়। তখন আমাদের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল বিনিময় ও সংঘর্ষ হয়। এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুরো দায় সোহরাব উদ্দিনের।  

পাকুন্দিয়া থানার ওসি মো. সারোয়ার জাহান জানান, য়ুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে বর্তমান ও সাবেক এমপির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ৯ জন আহত হয়। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। পুলিশ ২ রাউন্ড টিয়ার গ্যাসের শেল ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর

© আল্টিমেট কমিউনিকেশন লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান
Theme Customized BY LatestNews