1. admin@ultimatenewsbd.com : adminsr : Admin Admin
  2. afridhasan.ahb@gmail.com : Shah Imon : Shah Imon
শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর ২০২২, ০৫:০১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
আওয়ামী লীগ বর্গীর রূপ নিয়েছে: মির্জা ফখরুল অন্যান্য দেশের মতো আমাদেরও রিজার্ভ ব্যবহার করে চলতে হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী বিএনপিকে এখন ছাড় দিচ্ছি, ডিসেম্বরে দেব না: সেতুমন্ত্রী পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে, দুর্ভিক্ষ হবে না: খাদ্যমন্ত্রী দেশের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা চালানো ব্যক্তিদের ব্যাপারে কাজ করছে পুলিশ-ইন্টারপোল: আইজিপি ঋণ না পেলে রসাতলে যাবো, বিষয়টি তেমন নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী ক্রান্তিকালের সুযোগ নিয়ে বিরোধী দলগুলো অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী সম্ভাবনা জাগিয়েও হারল বাংলাদেশ বিএনপির লড়াই দেশবাসীর জন্য: মির্জা ফখরুল বিএনপি বিভাগীয় সমাবেশের নামে চাঁদাবাজির একটা বড় প্রকল্প নিয়েছে: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আইনি কাঠামোয় ফিট হলে ভোটে দাঁড়াতে পারবেন খালেদা জিয়া: প্রধান নির্বাচন কমিশনার ১১ নভেম্বরের পর যুবলীগের দখলে থাকবে দেশ: পরশ খালেদাকে কারাগারে পাঠানোর চিন্তা-ভাবনা নেই: আইনমন্ত্রী পরিকল্পনা করে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো যাবে না: পরিকল্পনা মন্ত্রী সরকার চাইলে তিস্তা প্রকল্পে সহায়তা করবে চীন: চীনের রাষ্ট্রদূত গাইবান্ধার বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে আরো এক সপ্তাহ লাগবে: সিইসি

বাকশালের মতো‌ই হয়েছে নির্বাচন কমিশন আইন: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৬৪

নির্বাচন কমিশন (ইসি) আইনটি বাকশালের মতোই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘গত ১৪ বছর ধরে আওয়ামী লীগ অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে যে কাজটা করছে, ১৯৭৫ সালে তা করতে পারেনি। সেই কাজ করার জন্য তারা (সরকার) ধীরে ধীরে পদক্ষেপ নিয়ে  এগিয়ে গেছে। একটা মোড়ক রেখেছে সামনে— একটা ছদ্মবেশ অবয়ব লেবাস যে বহুদলীয় গণতন্ত্র এখানে আছে। আসলে এখানে কোনও বহুদলীয় গণতন্ত্র নেই।’

সংসদে পাস হওয়া ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন-২০২২’ এর প্রসঙ্গ টেনে রবিবার (৩০ জানুয়ারি) এক আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব এই অভিযোগ করেন।

ফখরুল বলেন, ‘একটা নির্বাচনের লেবাস, যে নির্বাচন তারা ইতোমধ্যে দুইটি করেছে, যেখানে সত্যিকার অর্থে জনগণ তাদের ভোট দেওয়ার অধিকার পর্যন্ত পায়নি। আবারও একটা আইনও তৈরি করলো কয়েকদিন আগে, ঠিক সেই বাকশালের মতোই— যেটা ১১ মিনিটে ছিল। আর এটা সাত দিনের মধ্যে একটা ড্রাফট করে তারা একটা আইনও পাস করে নিলো সংসদে।’

গত ২৭ জানুয়ারি সংসদে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল-২০২২ পাস এবং পরে রাষ্ট্রপতি এতে সম্মতি দেন। এরপর ২৯ জানুয়ারি রাতে আইনটির বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করে সরকার।

রবিবার স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উদযাপন বিএনপির জাতীয় কমিটির উদ্যোগে বাকশাল দিবস উপলক্ষে  ‘২৫ জানুয়ারি ১৯৭৫: বাকশাল’ শীর্ষক এই আলোচনা সভা হয়। এতে সারাদেশসহ বিদেশ থেকে  দলের প্রবাসী নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।

ভার্চুয়াল এই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ‘১৯৭৫:বাকশাল’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন। গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে বিএনপি। গ্রন্থের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে সূচনা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট রিসার্চ অ্যান্ড কমিউনিকেশন সেন্টারের পরিচালক জহির উদ্দিন স্বপন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাকশাল একটি গালিতে পরিণত হয়েছে, কেন? এই বাকশালের মধ্য দিয়ে সেদিন দেশে অর্থনীতিকে ধ্বংস করা হয়েছিল, রাজনীতিকে ধ্বংস করা হয়েছিল, স্বপ্নকে ধ্বংস করা হয়েছিল। একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে তারা দেশ ও জাতিকে গভীর অন্ধকারে ভেতরে নিয়ে গিয়েছিলে।’

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে ৪৭ বছর পরে আবারও বাকশাল প্রতিষ্ঠার যে নীল নকশা শুরু হয়েছে, এই নীল নকশাকে আমাদের প্রতিহত করতে হবে এবং সেটা আমাদের জনগণকে সঙ্গে নিয়েই। আমাদের নেতা তারেক রহমান সাহেবের নেতৃত্বে, বিএনপির নেতৃত্বে আমাদেরকে এই প্রতিবাদ এই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা পরিষ্কার করে বলছি, আমরা অতিদ্রুত দাবি করছি, সোচ্চার কণ্ঠে বলছি যে, এই সরকারের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত এবং নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের হাতে ক্ষমতা দিয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় একটি নির্বাচনেরে মধ্য দিয়ে এদেশে আবার নতুন করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন-সোপান আমরা নির্মাণ করতে পারি।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আর গণতন্ত্র একসঙ্গে যায় না। ১৯৭২ থেকে ৭৫ ও ৭৫ সালে বাকশাল প্রতিষ্ঠা এবং গত ১৪ বছর আওয়ামী লীগের এই শাসন, বিনা ভোটে নির্বাচিত সরকার, রাতের অন্ধকারে ডাকাতির সরকার আজকে গায়ের জোরে বাংলাদেশ পরিচালনা করছে। সেজন্য বাংলাদেশে আজকে সেই বাকশালের চিন্তা চেতনা যেটা অলিখিতভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে।’

ফখরুল বলেন, ‘তাই উপসংহার একটাই যে, এই আওয়ামী লীগ তথা এই সরকার আর গণতন্ত্র পাশাপাশি যেতে পারে না। তারা স্বৈরাচারী তারা গণতন্ত্রবিরোধী শক্তি। গণতন্ত্র নেই বলেই দেশ একটা অন্ধকারের গহ্বরের কিনায় পৌঁছেছে। এ থেকে দেশকে রক্ষা করতে জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে। এখন সময় এসেছে দলমত নির্বিশেষে সকলে মিলে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করে এই সরকারকে সরানোর।’

স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উপদযাপনে দলের জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব আবদুস সালামের পরিচালনায় এই ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বক্তব্য রাখেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর

© আল্টিমেট কমিউনিকেশন লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান
Theme Customized BY LatestNews