1. admin@ultimatenewsbd.com : adminsr : Admin Admin
  2. afridhasan.ahb@gmail.com : Shah Imon : Shah Imon
রবিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৩, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
নতুন বছর উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বাম ডান মিলেমিশে একাকার, ফলাফল শূন্য: কাদের পোপ বেনেডিক্ট আর নেই বিএনপি বিশৃঙ্খলার চেষ্টায় ছিল, আ. লীগের কারণে পারেনি: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আওয়ামী লীগ বর্গীর রূপ নিয়েছে: মির্জা ফখরুল অন্যান্য দেশের মতো আমাদেরও রিজার্ভ ব্যবহার করে চলতে হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী বিএনপিকে এখন ছাড় দিচ্ছি, ডিসেম্বরে দেব না: সেতুমন্ত্রী পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ আছে, দুর্ভিক্ষ হবে না: খাদ্যমন্ত্রী দেশের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা চালানো ব্যক্তিদের ব্যাপারে কাজ করছে পুলিশ-ইন্টারপোল: আইজিপি ঋণ না পেলে রসাতলে যাবো, বিষয়টি তেমন নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী ক্রান্তিকালের সুযোগ নিয়ে বিরোধী দলগুলো অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী সম্ভাবনা জাগিয়েও হারল বাংলাদেশ বিএনপির লড়াই দেশবাসীর জন্য: মির্জা ফখরুল বিএনপি বিভাগীয় সমাবেশের নামে চাঁদাবাজির একটা বড় প্রকল্প নিয়েছে: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আইনি কাঠামোয় ফিট হলে ভোটে দাঁড়াতে পারবেন খালেদা জিয়া: প্রধান নির্বাচন কমিশনার বাণিজ্যমেলায় অংশ নিচ্ছে ১০ দেশের ১৭ প্রতিষ্ঠান: বাণিজ্যমন্ত্রী মিনিকেট জমিতে চাষ হয়, এটা বাস্তবতা: কৃষিমন্ত্রী থার্টি ফার্স্ট নাইটে গুলশানে প্রবেশে পুলিশের যেসব নির্দেশনা ১১ নভেম্বরের পর যুবলীগের দখলে থাকবে দেশ: পরশ খালেদাকে কারাগারে পাঠানোর চিন্তা-ভাবনা নেই: আইনমন্ত্রী

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর মুহুরী প্রজেক্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১
  • ১৪০

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপূর্ব লীলাভূমি মিরসরাই। একদিকে পাহাড় আর অপরদিকে সমুদ্রের কাছাকাছি অরণ্য। এ ছাড়াও নদী, ঝরনা, বন্যপ্রাণী, প্রকৃতির রূপ বৈচিত্র্যময় সম্পদে সমৃদ্ধময় এক স্থান মিরসরাই।

সেখানকার গিরি-নদীর মিলনস্থলে ছায়া হয়ে দিগন্তে মিশে গেছে নীলাকাশ। এ যেন কোনো শিল্পীর ক্যানভাসে কল্পনার রঙে আঁকা ছবি। এর খুব কাছেই দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেচ প্রকল্প মুহুরী প্রজেক্ট। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ বাজার থেকে ১২ কিলোমিটার পশ্চিমে মুহুরী সেচ প্রকল্প।

চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলার কিছু অংশসহ ফেনী, সোনাগাজী, ছাগলনাইয়া, ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলা নিয়ে সর্বমোট ৪০ হাজার ৮০ হেক্টর জায়গা জুড়ে এই প্রকল্পের অবস্থান। অনেকেই ভাবতে পারেন সেচ প্রকল্প আবার কীভাবে পর্যটনকেন্দ্র হয়? আসলে, সেচ প্রকল্পের পাশাপাশি সেখানে পর্যটকদের জন্য আছে বিনোদন ও পিকনিক স্পট। না দেখলে বিশ্বাসই করতে পারবেন না এই স্থানটি কতটা সুন্দর।

যারা চট্টগ্রামের নেভালে গিয়েছেন মুহুরী প্রকল্পের প্রবেশদ্বার অনেকটা চট্টগ্রামের নেভালের মতো দেখতে। এখানে এলে আপনি দেখতে পাবেন উইন্ড মিল, যা দেশে প্রথম নির্মিত। এই প্রকল্পের আওতাধীন যে বাঁধটি আছে তা ফেনী নদীর উপর দিয়ে নির্মিত হয়েছে।

বাঁধের একপাশে দেখতে পাবেন ভরা নদী আর অন্য পাশে শুকনো নদী। নৌকা করে নদীতে ঘুরে বেড়াতেও পারবেন। শীতে মুহুরী প্রকল্পের অন্যতম আকর্ষণ সাইবেরিয়ার অতিথি পাখি। বাঁধের উত্তরে আছে নীল জলরাশি আর দক্ষিণে দিগন্ত বিস্তৃত চর।

এ ছাড়াও পাইন গাছের সারি, ঝাউ বন, কাশফুলের দেখা সবই পাবেন সেখানে। সেখানকার সৌন্দর্য ও পরিবেশ যেকোনো পর্যটককেই আকর্ষণ করবে। দর্শনার্থীদের জন্য অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ৪০ দরজা বিশিষ্ট সারিবদ্ধ রেগুলেটর।

এ ছাড়াও বেড়িবাঁধ দিয়ে সোজা দক্ষিণে গেলেই দেখা যাবে উপকূলীয় বনবিভাগ কর্তৃক সৃজন করা কৃত্রিম সুন্দরবন। এখানে বনের ফাঁকে ফাঁকে সর্পিল আকারে বয়ে গেছে ছোট ছোট নদী। কৃত্রিম সুন্দরবনে আছে হরিণ, বানরসহ অনেক বন্য পশুপাখির মূর্তি।

যদিও মুহুরী প্রজেক্টের বিনোদন ও পিকনিক স্পটে পর্যটকদের জন্যে উন্নত সহজ কোনো খাবারের হোটেল বা রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থা নেই। তবে কয়েকটি রেস্টুরেন্ট পশ্চিমের বনে নিজ দায়িত্বেই খাবারের আয়োজন ও রান্না বান্না করে থাকে। দক্ষিণ পূর্ব প্রান্তে দুই একটি অস্থায়ী ভাসমান চা দোকান বসে।

মুহুরী সেচ প্রকল্প ঘিরে গত আড়াই দশকে গড়ে ওঠে বিনোদন ও পিকনিক স্পট। শীত মৌসুমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দলে দলে ভ্রমণ পিপাসু লোক এবং পর্যটক বেড়াতে আসেন। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর মুহুরী রেগুলেটরের চারদিকের মনোরোম পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন পর্যটকরা।

সেখানে গেলে দেখতে পাবেন- কৃত্রিম জলরাশি, বনায়ন, মাছের অভয়ারণ্য, পাখির কলকাকলি, বাঁধের দুপাশে নিচে খেকে পাথর দিয়ে বাঁধানো এবং উপরদিকে দুর্বা ঘাসের পরিপাটি বিছানা। মুহুরী জলরাশিতে নৌভ্রমণের সময় খুব কাছ থেকে বিভিন্ন প্রজাতির হাঁস এবং প্রায় ৫০ জাতের হাজার হাজার পাখির দেখা পাওয়া যায়।

কীভাবে যাবেন ও কোথায় থাকবেন?

ঢাকা থেকে ফেনী যেতে হবে। এরপর ফেনী লালপোল থেকে বাসে করে সোনাগাজী উপজেলা সদরে যাবেন। এরপর সেখান থেকে সিএনজি ভাড়া করে মুহুরী প্রজেক্ট যেতে পারবেন। কিংবা সোনাগাজী উপজেলা সদর থেকে বাসে বাদামতলী এসে রিকশা ভাড়া করে মুহুরী প্রজেক্ট পৌঁছাতে পারবেন।মুহুরী প্রজেক্টের কাছেই আছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডাক বাংলো। এ মুহুরি প্রজেক্ট থেকে ২০ কিলোমিটার দূরের সোনাগাজীতে অবস্থিত জেলা পরিষদ ডাক বাংলোতেও রাত কাটাতে পারবেন। ফেনী শহরেও বেশকিছু ভালো মানের হোটেল আছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর

© আল্টিমেট কমিউনিকেশন লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান
Theme Customized BY LatestNews