1. admin@ultimatenewsbd.com : adminsr : Admin Admin
  2. afridhasan.ahb@gmail.com : Shah Imon : Shah Imon
বৃহস্পতিবার, ০৮ জুন ২০২৩, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
দোহা পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি পদকপ্রাপ্তির ৫০ বছর পূর্ণ হলো আজ ড. ওয়াজেদ মিয়া দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন: তথ্যমন্ত্রী ঢাকা-কলম্বোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দেশি-বিদেশি চক্রান্ত, নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী কাউকে হয়রানি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের লক্ষ্য নয়: ওবায়দুল কাদের ঈদ ও পহেলা বৈশাখে কোনও ধরনের নাশকতার হুমকি নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসপাতালে সিজারে জন্মদান বেশি কেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা হিসেবে ‘ডেইরি আইকন’ পুরস্কার পেলো নারায়ণগঞ্জের তাহমিনা ডেইরি ফার্ম জজ হয়ে বিচার বিক্রি করলেই ব্যবস্থা: প্রধান বিচারপতি চট্টগ্রাম ও পায়রা বন্দরে নতুন চেয়ারম্যান বাণিজ্য প্রসারে একসাথে কাজ করবে ইরান-বাংলাদেশ

ছয় ঘণ্টা নয়, বুলেট ট্রেনে ৫৫ মিনিটেই যাওয়া যাবে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম

নিজস্ব প্রতিবেদক, ultimatenewsbd.com
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ২২৪

বুলেট ট্রেনের যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা রুটে চলাচল জন্য নেওয়া প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ।

নকশা তৈরির কাজও শেষ পর্যায়ে। উচ্চগতির এ রেলসেবা চালু হলে ৬ ঘণ্টা নয়, ননস্টপে মাত্র ৫৫ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা যাওয়া যাবে।

ট্রেনটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০০ কিলোমিটার গতিতে চলবে এবং দিনে প্রায় ৫০ হাজার যাত্রী পরিবহন করবে। এর জন্য একজন যাত্রীর ২ হাজার টাকার মতো ভাড়া গুনতে হবে। রুট ম্যাপ অনুযায়ী প্রস্তাবিত রেলপথে মোট ছয়টি স্টেশন রয়েছে। সেগুলো হলো: ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী, পাহাড়তলী ও চট্টগ্রাম।  

যদি এসব স্টেশনে ৩ মিনিট করে থামে তাহলে আরও ১৮ মিনিট সময় বেশি লাগবে। সেক্ষেত্রে ৭৩ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পৌঁছানো যাবে। আর যদি না থামে তাহলে ৫৫ মিনিটেই চট্টগ্রাম টু ঢাকা। তবে চূড়ান্ত অনুমোদনের পর থামবে কি থামবে না- এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের মার্চে অনুমোদন পাওয়া এ ট্রেনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ। চায়না রেলওয়ে ডিজাইন করপোরেশন এবং বাংলাদেশের মজুমদার এন্টারপ্রাইজ যৌথভাবে এ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজটি করেছে। বর্তমানে এর বিশদ নকশা তৈরির কাজ চলছে। যার জন্য ব্যয় হবে শত কোটি টাকার বেশি। জানুয়ারির মধ্যে প্রকল্পটির নকশা তৈরির কাজও শেষ হবে।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী সুবক্তগীন জানান, ডিসেম্বরের দিকে চায়না রেলওয়ে ডিজাইন করপোরেশনের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে এসে নকশা চূড়ান্ত অনুমোদন করবেন। তারপর ব্যায়ের বিষয়টি নির্ধারণ করে প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদনের জন্য যাবে। অনুমোদন পাওয়ার পর কাজ শুরু হবে।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম রুটের ৩২১ কিলোমিটার রেলপথ রয়েছে। তবে উচ্চগতির রেলপথটি আগের রেলপথের চেয়ে প্রায় ৯৪ কিলোমিটার কম হবে। এক্ষেত্রে উচ্চগতির রেলপথ দাঁড়াবে ২২৭ কিলোমিটার।

বর্তমানে ঢাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, ফেনী, পাহাড়তলী ও চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেলপথের দূরত্ব দাঁড়ায় ৩২১ কিলোমিটার। উচ্চগতির ট্রেনের জন্য ঢাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা রুটটি ব্যবহার করা হবে না, সরাসির ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ তারপর কুমিল্লা হয়ে চট্টগ্রাম পৌঁছাবে বুলেট ট্রেন। এক্ষেত্রে ৯৪ কিলোমিটার পথ কম পাড়ি দিতে হবে ট্রেনটির।

প্রকল্পটির জন্য ৬৬৮ দশমিক ২৪ হেক্টর জমির প্রয়োজন হবে, ফলে এটি বাস্তবায়নে রেলওয়েকে ৪৬৪ দশমিক ২ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করতে হবে।

প্রকল্পের পরিচালক মো. কামরুল আহসান জানান, প্রকল্পটির ডিজাইনের কাজ জানুয়ারির মধ্যে শেষ হবে। ডিজাইন চূড়ান্ত অনুমোদন হলে ব্যয়ের বিষয়ে জানা যাবে। বুলেট ট্রেনটি চালু হলে চট্টগ্রাম-ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার চিত্রই পাল্টে যাবে। ননস্টপে মাত্র ৫৫ মিনিটে ও স্টেশনে থামলে ৭৩ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা যাওয়া যাবে।

রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী জানান, বুলেট ট্রেনটি চালু হলে চট্টগ্রামের সঙ্গে ঢাকার শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থা নয়, বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও বিরাট ভূমিকা পালন করবে। কীভাবে দ্রুত কাজ শেষ করা যায়, এ বিষয়ে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

© আল্টিমেট কমিউনিকেশন লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান   ***চলছে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম***
Theme Customized BY LatestNews