1. admin@ultimatenewsbd.com : adminsr : Admin Admin
  2. afridhasan.ahb@gmail.com : Shah Imon : Shah Imon
শুক্রবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
দেশের উন্নয়ন মসৃণ করতে চীনের আরও সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহত বেড়ে ১৭,৭০০ বাংলাদেশ বেগম রোকেয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছে: প্রধানমন্ত্রী আবারো ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ, ১০ ডিসেম্বর মানববন্ধন করবে বিএনপি ভোটার উপস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন নয় আওয়ামী লীগ: কাদের অবসরের ৩ বছরের মধ্যে সংসদ নির্বাচন করতে পারবেন না সরকারি কর্মকর্তারা: হাইকোর্ট জামালপুর ৪ আসনে মুরাদ হাসানের মনোনয়ন বৈধ যুক্তরাষ্ট্রের উচিত স্বাধীন ফিলিস্তিন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা: তথ্যমন্ত্রী অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায় ইইউ, আশ্বস্ত করলেন সিইসি ভূমি ব্যবহারে মহাপরিকল্পনা করার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী ২৮৯ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হলেন যারা অনুমতি ছাড়া ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের তথ্য নেওয়া যাবে না: মন্ত্রিপরিষদ ৩০০ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা ৩ জানুয়ারি মাঠে নামছে সশস্ত্র বাহিনী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নতুন এপিএস হলেন খালেদা জেসমিন পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিললো ৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা

চাকরি রক্ষায় সীমাহীন দুর্ভোগ নিয়ে, ভোগান্তি সয়েই ঢাকায় আসছেন শ্রমিকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ultimatenewsbd.com
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৩১ জুলাই, ২০২১
  • ১৬৬

কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে রোববার (১ আগস্ট) থেকে খুলছে গার্মেন্টসসহ রফতানিমুখী শিল্পকারখানা। এসব শিল্পকারখানায় কাজে যোগ দিতে ঢাকায় ফিরছেন শ্রমিকরা। ভোগান্তি সঙ্গী করে কর্মস্থলে ফেরাদের অধিকাংশই পোশাকশ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্য।

শনিবার (৩১ জুলাই) ঢাকার অন্যতম প্রবেশপথ যাত্রাবাড়ীর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে।

ঢাকায় ফেরা মানুষরা জানিয়েছেন, তাদের ফোন করে জানানো হয়েছে, ১ আগস্ট থেকে গার্মেন্টস খুলছে। তাই চাকরি বাঁচাতে পথে সীমাহীন ভোগান্তি পাড়ি দিয়ে চলে এসেছেন তারা। ভাড়াও গুনতে হয়েছে কয়েকগুণ বেশি। বাস চালু না করে হঠাৎ করেই শিল্প-কারখানা খুলে দেয়ার এ সিদ্ধান্তে তারা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

শনিবার সকাল থেকে সাইনবোর্ড এলাকায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকায় ফেরা মানুষের ভিড় লেগেই আছে। হাতে-মাথায়-কাঁধে ব্যাগ। তাদের মধ্যে অসংখ্য নারী ও শিশু।

ঢাকায় ফেরাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাস বন্ধ থাকায় লোকজন মূলত ভেঙে ভেঙে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, পিকআপভ্যান, অটোরিকশা, হেঁটে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন। অনেকেরই গন্তব্য টঙ্গী, গাজীপুর, আশুলিয়ার পোশাক কারখানা অধ্যুষিত এলাকা।

সাইনবোর্ডে এসেও তারা পড়েছেন বিপদে। ভ্যানগাড়ি ছাড়া নেই কোনো গাড়ি। পুলিশের ভয়ে দূরে দূরে থেকে এলাকার মধ্য দিয়ে চলছে অটোরিকশা।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ধরে সাইনবোর্ড থেকে যাত্রাবাড়ীর দিকের সড়কে মানুষের সারি দেখা গেছে। তারা যানবাহনের অভাবে হেঁটেই যাচ্ছেন গন্তব্যে। বেশিরভাগই ভ্যানগাড়িতে গাদাগাদি করে যাচ্ছেন।

সাকিব ও কামরুন্নাহার এসেছেন চাঁদপুর থেকে। সাকিব বলেন, ‘আমরা থাকি নারায়ণগঞ্জে। সেখানে গার্মেন্টসে কাজ করি। ভাইঙা ভাইঙা অনেক কষ্ট করে আসছি।’

তিনি বলেন, ‘অফিস থেকে ফোন করছে, কাইল থেকে খোলা। তাই না আইসা উপায় নাই। এখন এহানতে (সাইনবোর্ড) ক্যামনে নারায়ণগঞ্জ যামু, হেই চিন্তা করতাছি ভাই।’

গৌরীপুর থেকে এসেছেন কাদের হোসেন। তিনি টঙ্গীর একটি গার্মেন্টসে কাজ করেন। কোথা থেকে এসেছেন, কোথায় যাবেন—জানতে চাইলেই সজিবের কণ্ঠে ক্ষোভ। তিনি বলেন, ‘গাড়ি চলে না, হঠাৎ গার্মেন্টস খুলে দিল। এটা কেমন সিদ্ধান্ত। মানুষ ক্যামনে আসবে। কী কষ্ট করে আসছি, তা বুঝাইতে পারমু না।’

শ্রমিকরা জানান, লকডাউনে দোকান না খুললেও মালিক ফোন দিয়ে আসতে বলেছেন, তাই চলে আসছি। যেখানে ৩০০-৪০০ টাকা ভাড়া লাগে সেখানে এ পর্যন্ত আসতে জনপ্রতি এক হাজার ৫০০ টাকা খরচ হয়েছে।

সাইনবোর্ড চেকপোস্টে দায়িত্ব পালন করা যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি বিধিনিষেধের প্রথম দিন থেকেই এখানে ডিউটি করছি। এত মানুষের ভিড় আর দেখিনি। আজ ঢাকাগামী মানুষের ঢল নেমেছে। এখানে কোনো গাড়ি নেই। এত মানুষ কীভাবে আটকাবো! এরা সবাই প্রায় খেটেখাওয়া সাধারণ মানুষ। গার্মেন্টস খুলে দেয়া হয়েছে, এজন্যই এ ভিড় বলে মনে হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘যে গাড়ি নিয়ম মানছে না, সেগুলোর বিরুদ্ধে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি। এছাড়া যারা মাস্ক পরেননি, তাদের বিরুদ্ধেও ম্যাজিস্ট্রেট আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছেন।’

করোনার সংক্রমণ রোধে গত ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ। এই বিধিনিষেধ চলবে আগামী ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত।

বিধিনিষেধে সব ধরনের গণপরিবহন, সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ। খাদ্যপণ্য উৎপাদন-প্রক্রিয়াকরণ, চামড়া পরিবহন-সংরক্ষণ ও ওষুধ খাত ছাড়া বন্ধ সব ধরনের শিল্প-কারখানা।

পোশাক কারখানাসহ সব ধরনের শিল্পকারখানা খুলে দিতে সরকারের কাছে অনুরোধ জানান মালিকরা। গত ২৯ জুলাই সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা এ দাবি জানান।

এর পরই শুক্রবার (৩০ আগস্ট) রফতানিমুখী শিল্পকারখানা খুলে দেয়ার ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী ১ আগস্ট সকাল ৬টা থেকে রফতানিমুখী সব শিল্প ও কলকারখানা আরোপিত বিধিনিষেধের আওতাবহির্ভূত রাখা হলো।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

© আল্টিমেট কমিউনিকেশন লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান   ***চলছে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম***
Theme Customized BY LatestNews