1. admin@ultimatenewsbd.com : adminsr : Admin Admin
  2. afridhasan.ahb@gmail.com : Shah Imon : Shah Imon
শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ০৫:৩৭ অপরাহ্ন

গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশেই ‘ইভ্যালি’ খুলেছিলেন রাসেল: র‌্যাব

নিজস্ব প্রতিবেদক, ultimatenewsbd.com
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৬৭

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেছেন, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল গ্রাহকদের অর্থ অত্মসাত করতে জেনেশুনেই প্রতারণা করেছেন। শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, রাসেলের ব্যবসায়িক অপকৌশলের মধ্যে অন্যতম হলো নতুন গ্রাহকের ওপর দায় চাপিয়ে পুরনো গ্রাহকদের আংশিক অর্থ বা পণ্য ফেরত দেওয়া। যার তার এই দায় ট্রান্সফারের দূরভী সন্ধিমূলক অপকৌশল চালিয়ে তিনি এভাবে প্রতারণা করে আসছিলেন। প্রতিষ্ঠানটির নেটওয়ার্কে যত গ্রাহক তৈরি হয় তার দায় ততই বাড়তে থাকে।

তিনি জানান, সাভারে মোহাম্মদ রাসেলের কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে বলে তিনি র‌্যাবের কাছে স্বীকার করেছেন। তবে তার কোম্পানি হাজার কোটি টাকার দেনায় ডুবে আছে। এসব দেনা কী করে পরিশোধ করবেন তার কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি রাসেল।

র‌্যাব কমান্ডার আরো জানান, ইভ্যালি নানা প্রলোভনের মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। দেশীয় বা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কাছে দায়সহ ইভ্যালিকে বিক্রি অথবা দেউলিয়া ঘোষণার পরিকল্পনা ছিল রাসেলের।

র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল জানিয়েছে, বিদেশি একটি ই-কমার্সের কৌশল ১:২ আলোকে প্রথম তিনি তার ইভ্যালির কার্যক্রম শুরু করেন। প্রথম তিনি একটি ব্র্যান্ড তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন। পরবর্তী সময় কোনো আন্তর্জাতিক বা দেশীয় বড় প্রতিষ্ঠানে তার কোম্পানি দায়সহ বিক্রি করে দেওয়ার একটি পরিকল্পনা ছিল তার। একইভাবে তিন বছর পূর্ণ হলেই শেয়ার মার্কেটে অন্তর্ভূক্তি  হওয়ার পরিকল্পনা ছিল। সর্বশেষ দায় মেটাতে না পারলে নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করার একটি পরিকল্পনা নিয়েছিলেন তিনি। 

র‌্যাব জানায়, ইভ্যালি ছাড়াও রাসেলের আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ই-ফুড, ই-খাত ও ই-বাজার অন্যতম।

ইভ্যালির ব্যবসায়িক কাঠামোর বিষয়ে রাসেল জানান, রাজধানীর ধানমন্ডিতে ইভ্যালির হেড অফিস এবং ধানমন্ডির আরেকটি স্থানে এর কাস্টমার কেয়ার সেন্টার রয়েছে। একইভাবে আমিনবাজার ও সাভারে তাদের ওয়্যার হাউস রয়েছে। বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানের এক থেকে দেড় হাজার কর্মচারী রয়েছে। 

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

শুক্রবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আতিকুল ইসলামের আদালতে তাদের হাজির করা হয়। এরপর গুলশান থানায় প্রতারণার অভিযোগে করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক ওয়াহিদুল ইসলাম।

প্রতারণার অভিযোগে গুলশান থানায় এক গ্রাহকের করা মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা  (সিইও) মো. রাসেল ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ঢাকা মহানগর আতিকুল ইসলামের আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© আল্টিমেট কমিউনিকেশন লিমিটেডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান   ***চলছে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম***
Theme Customized BY LatestNews